Health Tips

কি খেলে পায়খানা নরম হবে

আজ আপনাদেরকে জানাবো কি খেলে পায়খানা নরম হবে এই সম্পর্কে বিস্তারিত।  এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা সম্পর্কে আলোচনা করা হবে এই পোস্টে।  কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে চান এবং কি খেলে পায়খানা নরম হবে এর উত্তর খুঁজে থাকেন তাহলে ধৈর্য ধরে লেখাগুলো পড়তে থাকুন উত্তর পেয়ে যাবেন। এই পোস্টটি  দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা গুলো ব্যবহার মাধ্যমে বাড়িতে বসেই পায়খানা আর কোষ্ঠকাঠিন্য রোগ হতে বাঁচতে পারবেন। আপনি এবং আপনার পরিবার এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন তাই সম্পূর্ণ পোষ্টটি পড়তে থাকুন।  

কি খেলে পায়খানা নরম হবে

কোষ্ঠকাঠিন্য একটি বিরক্তিকর ও যন্ত্রণাদায়ক সমস্যা। অনেকের টয়লেটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে যায়, কিন্তু পেট পরিষ্কার হয় না। এ নিয়ে অস্বস্তিতে ভোগেন তাঁরা। মলত্যাগ যদি সপ্তাহে তিনবারের কম অথবা পরিমাণে খুব কম হয়, অনেকক্ষণ ধরে চেষ্টা করেও মলত্যাগ না হয়, অথবা মল অস্বাভাবিক রকমের শক্ত বা শুকনো হয়, তাহলে তাকে কোষ্ঠকাঠিন্য বলে। বিভিন্ন কারণে এ সমস্যা দেখা দেয়। তবে অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাস কোষ্ঠকাঠিন্যের পেছনে প্রধান ভূমিকা পালন করে। তাই এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

১. প্রতিদিন প্রচুর পানি ও তরল এবং যথেষ্ট আঁশযুক্ত খাবার খান। গোটা শস্য, শাকসবজি, ফলমূল যেমন বেল, পেঁপে ইত্যাদি হলো আঁশযুক্ত খাবার।

২. পাশাপাশি দুশ্চিন্তা বা মানসিক চাপমুক্ত জীবনযাপনের চেষ্টা করুন।

৩. যত দূর সম্ভব মল চেপে না রাখার অভ্যাস করা এবং নিয়মিত ব্যায়াম ও হাঁটাচলার অভ্যাস গড়ে তোলা।

৪. ইসবগুলের ভুসি, অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারীর মতো ঘরোয়া টোটকাও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমাধানে বেশ কাজে আসে।

কি খেলে পায়খানা নরম হবে

পায়খানা ক্লিয়ার করার জন্য আমাদের মধ্যে অনেকেই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে থাকে,  কিন্তু অনেক ডাক্তারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন ঘরে বসেই মুক্তি পাওয়া যাবে এই সমস্যা থেকে খুব সহজেই। তাহলে আসুন জেনে নেই কি খেলে পায়খানা নরম হবে।

আপনার যদি ১ দিনে ১-২ বার  পায়খানা হয় তাহলে আপনার পায়খানা স্বাভাবিক আছে অর্থাৎ কোন সমস্যা নেই। কিন্তু যদি ১-২ দিনে ১ বারও  পায়খানা না হয় তাহলে আপনার বিষয়টি স্বাভাবিক নয়। 

কি খেলে পায়খানা নরম হবে

৫ টি আয়ুর্বেদী চিকিৎসা পায়খানা নরম করার

এখানে উল্লেখিত চিকিৎসা গুলোর মধ্যে যেকোনো একটি চিকিৎসা গ্রহণ করে আপনি আপনার পায়খানা ক্লিয়ার করতে পারেন।  জিনিসগুলো মনোযোগ সহকারে পড়ুন। অনেকেই প্রশ্ন করে থাকেন কি খেলে পায়খানা নরম হবে, তাদের জন্য আজকের ১ নাম্বার ঘরোয়া চিকিৎসা টি রয়েছে। 

১। আজকের পোষ্ট কি খেলে পায়খানা নরম হবে এর খুবই কার্যকারী উপায় হচ্ছে ইসুবগুলের ভুষি। আপনার যদি পায়খানা সমস্যা হয় তাহলে রাতে ঘুমানোর পূর্বে ১ গ্লাস হালকা গরম দুধের সাথে ইসুবগুলের ভুষি মিশিয়ে নেবেন ৩-৪ চামচ।  দুধের সাথে ইসুবগুলের ভুষি মিক্স করার পর ১৫-২০ রেখে দিবেন এবং তারপর খাবেন। 

হালকা গরম দুধের সাথে ইসুবগুলের ভুষি মিশিয়ে খাবার ৫ মিনিট- ০১ ঘন্টার মধ্যে আপনার  পায়খানা ক্লিয়ার হয়ে যাবে। কিন্তু আপনার পায়খানার যদি খুব জটিল হয়ে থাকে তাহলে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে আপনার পায়খানা ক্লিয়ার হয়ে যাবে। 

২। কি খেলে পায়খানা নরম হবে পোষ্টের ২য় নাম্বারে রয়েছে তালমাখনা। আপনি যদি রাতে তালমাখনা খেতে পারেন তাহলে  আপনার পায়খানা ক্লিয়ার হবে এবং পেট পরিষ্কার হয়ে যাবে। তালমাখনা খাওয়ার নিয়ম হচ্ছে আপনি যখন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার পূর্বে খাবেন। এবং সকালে ঘুম থেকে উঠে ১বার তালমাখনা খাবেন। এই চিকিৎসা টির মাধ্যমে আপনাদের ১ থেকে ২ দিন সময় লাগবে পায়খানা ক্লিয়ার হওয়ার ক্ষেত্রে। এই ঘরোয়া চিকিৎসা কি আপনার পায়খানা ক্লিয়ার করতে সময় নিলেও এটি খুবই উপকারী একটি চিকিৎসা।  ডাক্তার নিলিমা আক্তার বলেছেন,  তালমাখনা খাওয়ার ফলে আপনার পায়খানার  সমস্যা দূর হওয়ার পাশাপাশি প্রসাবের সমস্যা থাকলেও সেটি দূর হয়ে যাবে। 

See also  হজম শক্তি বাড়ানোর ৫টি উপায়

৩। কি খেলে পায়খানা নরম হবে পোষ্টের খুবই উপকারী  আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা এটি। আমরা সবাই জানি,  নিমপাতা আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী।  আপনি যদি সঠিক নিয়মে নিমপাতার খেতে পারেন তাহলে আপনার পায়খানা ক্লিয়ার হয়ে যাবে পাশাপাশি আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যাবে।  ঘুম থেকে ওঠার পর প্রতিদিন সকালে ১০-১২  গ্রাম নিমপাতার রস খাবেন। অতঃপর ১০-২০ মিনিটের ভিতর আপনার পায়খানা ক্লিয়ার হয়ে যাবে। 

কি খেলে পায়খানা নরম হবে এই পোষ্টে উল্লেখিত উপরের ৩ টি চিকিৎসা ফলো করে আপনি আপনার পায়খানা ক্লিয়ার করতে পারবেন।  এই আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাগুলোর  আপনার শরীরের কোন ক্ষতি হবে না এবং এগুলো থেকে ফলাফল পাবেন খুব তাড়াতাড়ি। 

কোষ্ঠকাঠিন্য রোগ কি

আমাদের মধ্যে অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্য রোগ কাকে বলে জানিনা।  যাদের পায়খানায় একেবারেই হয় না তাকে কোষ্ঠকাঠিন্য রোগ বলা হয়ে থাকে।  আবার ৩ থেকে ৪ দিন ধরে পায়খানা না হলে একে কোষ্ঠকাঠিন্য রোগ বলা হয়।  আশা করি কোষ্ঠকাঠিন্য রোগ কি বুঝতে পেরেছেন। 

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করবেন কিভাবে

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার জন্য অন্যতম একটি উপকারী মাধ্যম ভিটামিনযুক্ত খাবার খাওয়া।  কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার জন্য প্রতিদিন আপনার খাবারের সাথে শাক সবজি রাখুন।  শাকসবজি খাওয়ার পাশাপাশি মাছ-মাংস খেতে পারেন কোন সমস্যা নেই।  এছাড়াও আরও অনেক ভিটামিনযুক্ত খাবার রয়েছে সেগুলো প্রতিদিন খাওয়ার চেষ্টা করুন। এছাড়াও আমাদের কি খেলে পায়খানা নরম হবে এই পোষ্টে আরও কয়েকটি আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।  সেগুলো অনুসরণ করলেও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করা সম্ভব। 

আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা যদি মারাত্মকভাবে হয়ে থাকে তাহলে নিচের আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা গুলো করতে পারেন। 

 প্রথমে কুসুম গরম পানি নিবেন,  এরপর ৫ গ্রাম তালমাখনা, ৭ গ্রাম ইসুবগুলের ভুষি, ১৫ গ্রাম মিঠাই ও ৫ গ্রমা কালোজিরা নিবেন। তারপর কুসুম গরম পানির সাথে সবকিছু ভালো করে মিশিয়ে খেয়ে নিন। দেখবেন ৫ মিনিটের মধ্যেই আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য রোগ দূর হয়ে গেছে। 

পায়খানা কালো বর্ণের হওয়ার কারন

আমাদের মধ্যে অনেকের পায়খানা কালো হয়ে থাকে। পায়খানা কালো হওয়ার কারণ না জানার ফলে আমরা ভয় পেয়ে যাই। ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ঠিক মতো পানি না খাওয়ার কারণে পায়খানা কালো হয়ে যায়। সমস্যাটি দূর করার জন্য আপনাকে প্রতিদিন সর্বনিম্ন ১০-১২ গ্লাস পানি পান করতে হবে। আপনারা বাইরের খাবার বেশি খাওয়ার ফলে এই সমস্যাটি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

পায়খানা না হওয়ার কারন

১) বাইরে বিভিন্ন ধরনের শুকনো খাবার পাওয়া যায়।  এই শুকনো খাবার গুলো খাওয়ার ফলে আমাদের পায়খানা ক্লিয়ার হয়না।  যা পায়খানা না হওয়ার অন্যতম একটি কারণ।  এই সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য আপনাকে অবশ্যই বাইরের শুকনো খাবার গুলো খাওয়ার পরিমাণ কমাতে হবে। 

২) পায়খানা না হওয়ার অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে সঠিক সময়ে খাবার না খাওয়া।  আমরা অনেকেই খাবার খাওয়ার টাইম মেইনটেইন করিনা এবং ঠিকমতো খাবার খাই না।  এর ফলেও  পায়খানা ক্লিয়ার হতে সমস্যা হয়।  তাই এখন থেকে খাবার খাওয়ার সময় এবং ঠিকমতো খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। 

৩) তরল খাবার কম পরিমাণে খাবার ফলে আমাদের পায়খানা ঠিক মত ক্লিয়ার হয়না। যারা ঠিকমতো খাবার খান না উল্টে শুকনো খাবার বেশি করে পানি খেয়ে থাকেন এই সমস্যাগুলো তাদের হয়ে থাকে। 

৪) রাত জাগার সমস্যাটি আমাদের সবার মধ্যেই দেখা যায়। রাত জাগার কারণেও পায়খানা ঠিকমতো ক্লিয়ার হয় না। রাত জাগার কারণে আমাদের শরীরে পানি সল্পতা দেখা দেয় ফলে ঠিক মতো পায়খানা ক্লিয়ার হয় না।  

See also  শারীরিক বিকাশ কাকে বলে | শিশুর মানসিক বিকাশে খেলার গুরুত্ব

কষা পায়খানা

পায়খানা কষা হওয়ার কারণ ঠিকমত পানি না খাওয়া এবং উল্টাপাল্টা খাবার বেশী পরিমাণে খাওয়ার কারণে। আপনারা কষা পায়খানা দূর করার জন্য চিরতা  খেতে পারেন।  কষা  পায়খানা দূর করার জন্য এটি খুবই কার্যকরী খাবার। চিরতা খাবার নিয়ম হচ্ছে ২০-৩০ মিনিট চিরতা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর খালি পেতে খেয়ে নিবেন, দেখবেন আপনার কষা পায়খানা দূর হয়ে গেছে। 

পায়খানা হওয়ার ঔষধ

পায়খানা হওয়ার ঔষধ হচ্ছে দূরালেক্স (Duralax)। পায়খানা হওয়ার জন্য আপনারা এই ওষুধটি খেতে পারেন।  পায়খানা হওয়ার জন্য দূরালেক্স (Duralax) টি খুবই ভালো ঔষধ। বাংলাদেশে এমন অনেক মানুষ রয়েছে যারা পায়খানা হওয়ার ঔষধ হিসেবে দূরালেক্স (Duralax) খেয়ে থাকেন। দূরালেক্স (Duralax) খেয়ে অনেক মানুষ উপকার পেয়েছেন। 

পায়খানা শক্ত হওয়ার কারন

আপনি যদি পায়খানা নরম করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে কোন কোন খাবারগুলো খাওয়ার ফলে পায়খানা শক্ত হয়ে থাকে।  তাহলে আপনি খুব সহজেই আপনার উদ্দেশ্য সফল করতে পারবেন।  রুটি, বার্গার ও বিস্কুট ইত্যাদি খাবার বেশি খাওয়ার ফলে পায়খানা শক্ত হয়ে যায়। ঠিকমতো ভাত না খাওয়ার ফলে পায়খানা শক্ত হতে পারে। 

জটিলতা

দীর্ঘ মেয়াদে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে অর্শ বা পাইলস, ফিস্টুলা বা ভগন্দর, অ্যানাল ফিশার বা গেজ রোগ, প্রস্রাবের সমস্যা, রেক্টাল প্রোলাপস বা মলদ্বার বাইরে বের হয়ে আসা, ইন্টেসটাইনাল অবস্ট্রাকশন, পেটব্যথা বা ফাঁপা, অরুচি, ক্ষুধামান্দ্যের মতো জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। সমস্যার উন্নতি না হলে আক্রান্ত ব্যক্তির থাইরয়েডের সমস্যা, কলোরেক্টাল তথা মলাশয়ের ক্যানসার, ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথি, পার্কিনসনস ডিজিজ, ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (আইবিএস), অ্যানাল ফিশার, পেরিঅ্যানাল অ্যাবসেস প্রভৃতি কোনো রোগ আছে কি না, তা পরীক্ষা করা দরকার। আফিম, মরফিন, মানসিক রোগের ওষুধ, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও অ্যালুমিনিয়াম এবং ক্যালসিয়ামযুক্ত অ্যান্টাসিড ইত্যাদি কোনো ওষুধ সেবন করছেন কি না, লক্ষ করুন। হঠাৎ কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

৫ মিনিটে পায়খানা ক্লিয়ার করার উপায়- পায়খানা

ঘরে বসেই ৫ মিনিটে পায়খাণা ও কোয়াষ্ঠকাঠিন্য রোগ থেকে মুক্তি
আজকে জানবো পায়খানা সম্পর্কে ৫ টি তথ্য জানতে পারবেন এবং আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ আয়ুর্বেদী চিকিৎসা সম্পর্কে জানতে পারবেন পায়খানার এবং কোষ্ঠকাঠিন্য রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ।

আপনারা ঘরে বসেই ৫ মিনিটেই পায়খানা আর কোষ্ঠকাঠিন্য রোগ থেকে মুক্তি পাবেন। আপনাদের কাছে একটাই অনুরুধ আপনারা সম্পূর্ন পোস্টটি পাঠ করেবেন তাহলে আপনার এবং আপনার পরিবার এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবে ,পায়খানা হওয়ার ঔষধের নাম

পায়খানা ক্লিয়ার করার উপায়
পায়খানা ক্লিয়ার করার জন্য আমরা অনেকেই ডাক্তারের কাছে যাই, কিন্তু ডাক্তারেরা বলেন আপনারা ঘরে বসেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন খুব সহজেই। আসুন ঘরে বসে পায়খানা ক্লিয়ার এর উপায় জেনে নেই।

আপনাদের জাদের ১ দিনে ১ থেকে ২ বার পায়খানা হয় তাদের পায়খানা সাভাবিক রয়েছে কোন সমস্যা নেই। আপনাদের যাদের ১ থেকে ২ দিনে ১ বার ও পায়খানা হয় না তাদের পায়খানা সাভাবিক নয়। পায়খানা হওয়ার ঔষধের নাম

পায়খানা ক্লিয়ার করার উপায়

পায়খানা ক্লিয়ার করার ৫ টি আয়ুর্বেদী চিকিৎসা

আপনারা যেই কোন ১ টি চিকিৎসা এর মাধ্যমে আপনাদের পায়খান ক্লিয়ার করতে পারবেন। আপনারা চিকিৎসা গুলো মনোযোগ দিয়ে পাঠ করুন

১) আপনাদের যাদের পায়খানার সমস্যা হয় তারা রাতে ঘুমানোর আগে ১ গ্লাস হাল্কা গরম দুধের সাথে ইসবগুলের ভুসি নিবেন ৩ থেকে ৪ চামিচ এর মতো। আপনারা দুধের সাথে ইসবগুলের ভুসি মিক্স করার পরে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করবেন তারপর আপনারা খেয়ে নিবেন।

আপনারা গরম দুধের সাথে ইসবগুলের ভুসি খাওয়া পরে ৫ মিনিট থেকে ১ ঘন্টার ভিতরে আপনাদের একটি ক্লিয়ার পায়খানা হবে। আর আপনাদের পায়খানার সমস্যাটি যদি জটিল হয়ে থাকে তাহলে সকালে ঘুম থেকে উঠে ক্লিয়ার পায়খানা হবে।

See also  ইসবগুল ও তোকমা দানা খাওয়ার নিয়ম

২/ তালমাখনা আপনারা যদি রাতে খেতে পারেন তাহলে আপনাদের পায়খানা ক্লিয়ার হবে আর পেট পরিষ্কার হয়ে যাবে। তালমাখনা আপনারা রাতে ঘুমানোর আগে খাবেন আর সকালে ঘুম থেকে উঠে ১ বার খাবেন৷ এই থেরাপিটির মাধ্যমে আপনাদের ১ থেকে ২ দিন সময় লাগবে পায়খানা ক্লিয়ার হওয়ার জন্য ।

এই তালমাখনা খাওয়ার কারনে আপনাদের পায়খানার সমস্যাই দূর হবে না এই তালমাখনা খাওয়ার কারনে আপনাদের প্রস্রাবের সমস্যা থাকলেও দূর হয়ে যাবে ডাক্তার নিলিমা আক্তার বলেছেন।

৩) নিম পাতা আপনারা যদি সঠিক নিয়মে খেতে পারেন তাহলে আপনাদের পায়খানা ক্লিয়ার হবে আর আপনাদের শরীলের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। আপনারা প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ১০ থেকে ১২ গ্রাম এর মতো নিম পাতার রস খাবেন তাহলে ১০ থেকে ২০ মিনিটের ভিতরে আপনাদের পায়খানা ক্লিয়ার হবে।

আপনারা এই ৩ টি উপায়ে পায়খানা ক্লিয়ার করতে পারবেন। আপনাদের যেই আয়ুর্বেদী চিকিৎসার কথা বলাম সেই চিকিৎসা এর কারনে আপনাদের শরীলের কোন ক্ষতি হবে না আর দ্রুত উপকার পাবেন। পায়খানা হওয়ার ঔষধের নাম.

কষা পায়খানা
আমাদের অনেকের কষা পায়খানা হয়ে থাকে ঠিক মতো পানি না খাওয়ার কারনে আর উল্টা পালটা খাবার খাওয়ার কারনে।

আপনাদের যাদের কষা পায়খানা হবে তারা অবশ্যই চিরতা খাবেন তাহলে আপনাদের কষা দূর হয়ে যাবে। আপনারা চিরতা ২০ থেকে ৩০ মিনিট বিজিয়ে রাখবেন তারপর খালি পেটে খেয়ে নিবেন তাহলে আপনাদের কষা দূর হয়ে যাবে।

পায়খানা হওয়ার ঔষধ

পায়খানা হওয়ার ঔষধ হচ্ছে দূরালেক্স (Duralax) . আপনারা যদি এই ঔষধ খেতে পারেন তাহলে আপনাদের পায়খানা হবে। পায়খানা হওয়ার জন্য এই ঔষধটি অনেক ভালো।

আমাদের দেশের অনেক মানুষ এই দূরালেএক্স ঔষধ খেয়ে থাকে, আর এই ঔষধ খেয়ে অনেক মানুষ উপকার পেয়েছেন।

পায়খানা শক্ত হওয়ার কারন

পায়খানা শক্ত হওয়ার ও কিছু কারন রয়েছে আপনারা সেই কারন গুলো জানতে পারলেও আপনাদের অনেক উপকার হবে। আপনারা রুটি, বার্গার, বিস্কুট বেশি খাওয়ার কারনে আপনাদের পায়খানা সক্ত হতে পারে।

আপনারা ঠিক মতো ভাত না খেলেও আপনাদের পায়খামা শক্ত হতে পারে। আপনারা আপনাদের পায়খানা নরম করার জন্য অবশ্যই কিছু খাবার খেতে পারেন যেমন লাউ, কুমড়া, পোটল, এই খাবার গুলা বেশি করে খেলে আপনাদের পায়খানা শক্ত হবে না।

আপনাদের পায়খানার সমস্যা দেওয়ার মূল কারন হচ্ছে আপনারা সঠিক খাবার খেতে পারেন না,, আর আপনারা ভিটামিন আর পুষ্টি যুক্ত খাবার খান না যার কারবে আপনাদের পায়খানার ভিবিন্ন দরনের সমস্যা দেখা দেয়। পায়খানা হওয়ার ঔষধের নাম

পায়খানা ও কোষ্ঠকাঠিন্য সম্পর্কে বিস্তারিত
আপনারা অনেকেই দেখা যায় পায়খানা আর কোষ্ঠ্যকাঠিন্য সমস্যায় পরে আছেন । অনেকেই মনে করেন কোষ্ঠকাঠিন্য রোগ আবার কি কিন্তু কোষ্ঠকাঠিন্য রোগ আর পায়খানার সমস্যা ২ টাই এক।

আপনাদের আজকে যেই তথ্য দিয়েছি সেই তথ্য অনুযায়ি আপনাদের পায়খানার সমস্যা দেখা দিবে না জীবনেও আর আপমাদের পায়খানার সমস্যা দেখা দিলেও আপনারা ৫ মিনিট থেকে ৩০ মিনিটের ভিতরে মুক্তি পেয়ে যাবেন।

পায়খানার সব সমস্যা কিন্তু ৫ মিনিটে ঠিক হয় না, পায়খানার অনেক সমস্যা রয়েছে যেই সমস্যা গুলো থেকে আপনাদের ২ থেকে ৪ দিন পর্যন্ত লাগতে পারে।

পায়খামার সমস্যা কিন্তু মারাত্মক সমস্যা এই সমস্যা নিয়ে আপনারা অভহেলা করবেন না। আমি আপনাদের যেই তথ্য দিয়েছি সেই তথ্য এর মাধ্যমে আপনারা আপনাদের পরিবারকে ভালো ও সুস্থ রাখতে পারবেন। পায়খানা হওয়ার ঔষধের নাম

আমাদের আজকের পোষ্টে আমরা আলোচনা করেছি কি খেলে পায়খানা নরম হবে।  আশা করি আপনি আপনার সমস্যার সমাধান পেয়েছেন।  ধৈর্য সহকারেপোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। 

আড়ও পড়ুন

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button